রংপুরে চার হত্যাকাণ্ড

১০ দিন পর আসামিদের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ

Collection of dope test samples from accused
অনলাইন ডেস্ক ৩১ আগস্ট ২০২৬ ০৩:৪৭ অপরাহ্ন সারা বাংলা
অনলাইন ডেস্ক ৩১ আগস্ট ২০২৬ ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
১০ দিন পর আসামিদের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ
--সংগৃহীত ছবি

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

তিনি জানান, রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে। এ সময় ডিবি পুলিশের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ডোপ টেস্টের নমুনা কারাগারেই সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য ডিবির পক্ষ থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে টেকনোলজিস্ট পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। অনুমতি পাওয়ার পর মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্টরা কারাগারে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, আদালত ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করার পর আসামিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তাদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। তাই মেডিকেল কলেজের ল্যাবের টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে নমুনা নেওয়া হয়েছে।

গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পরদিন দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও আসামিদের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্ত চলছে। ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন তদন্তে নতুন কোনো তথ্য যোগ করে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।