আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা

Jamuna fertilizer factory closed again
অনলাইন ডেস্ক ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০১:৫৪ অপরাহ্ন সারা বাংলা
অনলাইন ডেস্ক ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০১:৫৪ অপরাহ্ন
আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা
--সংগৃহীত ছবি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দীর্ঘ ৮ মাস বন্ধ থাকার পর উৎপাদন শুরুর ২ দিনের মাথায় আবারও বন্ধ হয়ে গেছে যমুনা সার কারখানা। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে কারখানার বয়লার প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ থাকার পর গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে সোমবার (৬ অক্টোবর) গভীর রাতে যমুনা সার কারখানায় পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে বুধবার রাতে বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণেই বয়লার প্ল্যান্টে এ ত্রুটি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

তবে কারখানার অন্যান্য যন্ত্রাংশ সচল রয়েছে। বয়লার প্ল্যান্টের ত্রুটি মেরামত করা হলে আবারও উৎপাদনে ফিরতে পারবে কারখানাটি। পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে না পারলেও দুই দিনে মোট এক হাজার ৬০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন হয়েছে।

যমুনা সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, বয়লার প্ল্যান্টের ত্রুটি মেরামতের কাজ চলছে। ত্রুটি সারিয়ে ২ দিনের মধ্যে উৎপাদন শুরু হতে পারে।

উল্লেখ্য, গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ মাস বন্ধ ছিল যমুনা সার কারখানা। পরে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংকটের কারণে আবারও কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন যমুনা সার কারখানায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সব প্রস্তুতি শেষে গত সোমবার ভোররাতে আবারও সার উৎপাদন শুরু করে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

যমুনা সার কারখানা বিসিআইসির তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে আসছে। স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ ও কারখানাটি সচল থাকলে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়। এতে কারখানাটির লাভ থাকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, কারখানা বন্ধ থাকলেও অন্যান্য খরচের বাইরে শুধু প্ল্যান্ট সচল রাখতে গ্যাস বিল বাবদ প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়।