কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনে জিএম-সিসিএম-এর বিশেষ পরিদর্শন,যাত্রীসেবা মানোন্নয়ন ও কড়াকড়ি চেকিং
যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং টিকিটের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার(( ১২ অক্টোবর) ৭৯৭ নম্বর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এক বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক আহমেদ হোসেন মাসুম এবং প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক হাসান উল্লাহ ভূইয়া ।
পরিদর্শনের প্রধান দিকসমূহ:-
হঠাৎ এই পরিদর্শনের সময় শীর্ষ এই দুই কর্মকর্তা ট্রেনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সেবার মান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তারা মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেন:
খাবারের মান যাচাই: ট্রেনে যাত্রীদের মাঝে পরিবেশনকৃত খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা এবং দাম ঠিক রয়েছে কি না, তা তারা সরাসরি পরখ করেন।
পরিচ্ছন্নতা পর্যবেক্ষণ: দীর্ঘ যাত্রায় যাত্রীদের আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে ট্রেনের শৌচাগার (টয়লেট) ও বগির ভেতরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সশরীরে পরিদর্শন করেন।
টিকিট চেকিং কার্যক্রম: বিনা টিকিটে ভ্রমণ রোধে সার্বিক টিকিট চেকিং কার্যক্রম তদারকি করেন এবং টিটিই ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
‘টিকিট যার ভ্রমণ তার’ নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান:-
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি রোধ এবং কালোবাজারি চক্রকে নির্মূল করতে ‘টিকিট যার ভ্রমণ তার’—এই নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
পরিদর্শন শেষে রেলওয়ের পক্ষ থেকে যাত্রীদের প্রতি বিশেষ কিছু অনুরোধ ও সতর্কবার্তা জানান মহা ব্যবস্থাপক।
ভ্রমণকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে সর্বদা সঠিক টিকিট কেটে ট্রেনে চড়ার আহ্বান, অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ব্যবহার করে বা অন্যের নামে সংগ্রহ করা টিকিট দিয়ে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ। এখন থেকে প্রত্যেকে নিজ নিজ আইডি দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করে ভ্রমণ করবেন।
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর ভ্রমণ পরিবেশ উপহার দিতে এ ধরনের অভিযান ও চেকিং কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সুন্দর ও পরিপাটি রেলভ্রমণ বজায় রাখতে সম্মানিত যাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।