সম্ভাব্য যুদ্ধের স্পর্শ থেকে বাংলাদেশ কি বাঁচবে
কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আবার নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে কাশ্মীরের বিশেষ স্বায়ত্তশাসন বাতিলের পর ভারত সরকার সেখানে বড় বড় বিনিয়োগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু করেছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, কাশ্মীরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু এ হামলা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা ব্যবস্থার ত্রুটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভারতের পক্ষ থেকে সরাসরি পাকিস্তানকে এ হামলার জন্য দায়ী করা হয়েছে এবং পাকিস্তানও পাল্টা ভারতকে অভিযুক্ত করেছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা দ্রুতই সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিচ্ছে।
কাশ্মীর ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের সম্ভাব্য যুদ্ধ ও এর ভয়াবহতা, বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও প্রস্তুতির বিশ্লেষণ থাকছে এই প্রতিবেদনে।
দুদেশের সামরিক প্রস্তুতি
বর্তমানে সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে। পাকিস্তান তাদের সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটিগুলোতে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে। সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত সৈন্য এবং ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি উন্নত প্রযুক্তির বায়রাক্তার ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছে। ভারতের মিডিয়াগুলো এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অন্যদিকে ভারতও সীমান্তে সেনা ঘাঁটি শক্তিশালী করছে এবং সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশই এখন যুদ্ধের জন্য আংশিক প্রস্তুত রয়েছে।
ভয়াবহ বিপর্যয়ের শঙ্কা
যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে তা শুধু সীমান্ত যুদ্ধেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দুই দেশেরই পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। কোনো বড় ধরনের সংঘর্ষ খুব দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে গড়াতে পারে। আর একটি পারমাণবিক সংঘর্ষ মানে শুধু ভারত ও পাকিস্তানের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিপর্যয়কর। কোটি কোটি মানুষের জীবন হুমকিতে পড়বে, ব্যাপক অবকাঠামো ধ্বংস হবে, খাদ্য ও পানির সংকট দেখা দেবে এবং পুরো অঞ্চল দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
এ ধরনের উত্তেজনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রকাশ্যে ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। চীন ও রাশিয়া কিছুটা সংযত ভূমিকা নিচ্ছে। চীন পাকিস্তানের ‘ঘনিষ্ঠ মিত্র’ হলেও এখন বড় ধরনের যুদ্ধ চায় না, কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় অস্থিরতা চীনের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। রাশিয়া ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের ঘনিষ্ঠ হলেও এ মুহূর্তে তারা শান্তির পক্ষে আহ্বান জানাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ দুই পক্ষকেই সংযম দেখানোর পরামর্শ দিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক মহলের চাপ থাকলেও দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের কারণে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা এখনই খুব কম।
দুদেশের সামরিক প্রস্তুতি
বর্তমানে সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে। পাকিস্তান তাদের সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটিগুলোতে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে। সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত সৈন্য এবং ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি উন্নত প্রযুক্তির বায়রাক্তার ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছে। ভারতের মিডিয়াগুলো এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অন্যদিকে ভারতও সীমান্তে সেনা ঘাঁটি শক্তিশালী করছে এবং সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশই এখন যুদ্ধের জন্য আংশিক প্রস্তুত রয়েছে।
ভয়াবহ বিপর্যয়ের শঙ্কা
যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে তা শুধু সীমান্ত যুদ্ধেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দুই দেশেরই পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। কোনো বড় ধরনের সংঘর্ষ খুব দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে গড়াতে পারে। আর একটি পারমাণবিক সংঘর্ষ মানে শুধু ভারত ও পাকিস্তানের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিপর্যয়কর। কোটি কোটি মানুষের জীবন হুমকিতে পড়বে, ব্যাপক অবকাঠামো ধ্বংস হবে, খাদ্য ও পানির সংকট দেখা দেবে এবং পুরো অঞ্চল দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
এ ধরনের উত্তেজনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রকাশ্যে ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। চীন ও রাশিয়া কিছুটা সংযত ভূমিকা নিচ্ছে। চীন পাকিস্তানের ‘ঘনিষ্ঠ মিত্র’ হলেও এখন বড় ধরনের যুদ্ধ চায় না, কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় অস্থিরতা চীনের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। রাশিয়া ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের ঘনিষ্ঠ হলেও এ মুহূর্তে তারা শান্তির পক্ষে আহ্বান জানাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ দুই পক্ষকেই সংযম দেখানোর পরামর্শ দিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক মহলের চাপ থাকলেও দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের কারণে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা এখনই খুব কম।
সূত্র: কালবেলা