শহীদ ওসমান হাদীর স্মরণে রুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো টেলিকমিউনিকেশন প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬

In memory of martyr Osman Hadi
রুয়েট প্রতিনিধি ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:২৪ অপরাহ্ন সারা বাংলা
রুয়েট প্রতিনিধি ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:২৪ অপরাহ্ন
শহীদ ওসমান হাদীর স্মরণে রুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো টেলিকমিউনিকেশন প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬
শহীদ ওসমান হাদীর স্মরণে রুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো টেলিকমিউনিকেশন প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬

ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন ও সংগ্রামের আজাদীর প্রতীক বীর শহীদ ওসমান বিন হাদীর স্মরণে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) অনুষ্ঠিত হলো “টেলিকমিউনিকেশন প্রিমিয়ার লিগ (TPL)–২০২৬” শীর্ষক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ‘Justice for Hadi’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে শহীদি চেতনা, দেশপ্রেম এবং সৌহার্দ্যের অনন্য সংমিশ্রণ ফুটে ওঠে।

পূর্ব ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে রুয়েট ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের টেলিকমিউনিকেশন প্রিমিয়ার লিগ উৎসর্গ করা হয় শহীদ ওসমান বিন হাদীর আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার স্মরণে। এই আয়োজনের মাধ্যমে ইটিই পরিবারের মধ্যে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং খেলাধুলার সুস্থ সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি শহীদের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

গত ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্ট রুয়েট সেন্ট্রাল ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইটিই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের প্রতীকি অংশগ্রহণ টুর্নামেন্টকে আরও মর্যাদাপূর্ণ ও অর্থবহ করে তোলে। 

উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া এই টুর্নামেন্টে ইটিই ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের টিম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে, আর ইটিই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের টিম রানার্সআপ হিসেবে প্রতিযোগিতা শেষ করে। ফাইনাল ম্যাচে ইটিই বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক প্রফেসর ড. কামাল হোসেন সহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগান।

আয়োজকদের মতে, TPL ২০২৬ কেবল একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নয়; এটি আত্মত্যাগ, সম্মান ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক প্রতীকী আয়োজন। ব্যাট ও বলের লড়াইয়ের পাশাপাশি এই আয়োজন ইটিই পরিবারের মাঝে ঐক্য ও অনুপ্রেরণার গল্প তুলে ধরেছে।

শহীদের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের গঠনমূলক ও মূল্যবোধভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।