ভাষা শহিদদের স্মরণে দেশের প্রথম শহিদ মিনারে আরসিআরইউ’র শ্রদ্ধা

Martyrs' Day and International Mother Language Day
নিজেস্ব প্রতিবেদক: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১৬ অপরাহ্ন সারা বাংলা
নিজেস্ব প্রতিবেদক: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১৬ অপরাহ্ন
ভাষা শহিদদের স্মরণে দেশের প্রথম শহিদ মিনারে আরসিআরইউ’র শ্রদ্ধা
রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি'র (আরসিআরইউ) সদস্যবৃন্দ।

‎‎মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহিদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছে রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি'র (আরসিআরইউ) সদস্যবৃন্দ।

‎‎শনিবার (২১ শে ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় আরসিআরইউ’র সভাপতি আবু সাঈদ রনির

‎নেতৃত্বে রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ভবনের (এফ ব্লক) সামনে অবস্থিত দেশের প্রথম শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ইউনিটির সদস্যরা।

‎‎এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর  ড. মো. ইব্রাহিম আলী, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু. মো. ইউনুছ আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ হাবিবুর রহমান, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. শাহ মো. মাহবুব আলম সংগঠনের উপদেষ্টা ও বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

‎‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজ  রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম, দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন,  প্রশিক্ষণ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আল সাকিব হোসেন, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলামসহ সহযোগী সদস্যবৃন্দ।

‎‎উল্লেখ্য, ৫২'র ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় যখন ঢাকার ঘটনার খবরটি রাজশাহী এসে পৌঁছায়, তখন এই হোস্টেলেই একটি রুমে তৎকালীন ছাত্রনেতারা সিদ্ধান্ত নেন শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির। পরে আশেপাশের ইট-পাটকেলের টুকরা জোগাড় করে কাদার গাঁথুনি দিয়ে রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত এই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তোলা হয়। সারারাত এটি পাহারা দিয়ে রাখা হলেও সকালে মুসলিম লীগের গুণ্ডা ও পুলিশ বাহিনী সেই স্মৃতিস্তম্ভটি গুঁড়িয়ে দেয়। এটাই সেই প্রথম শহিদ মিনার।

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে নির্মিত এই শহিদ মিনারকে দেশের প্রথম শহীদ মিনার হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আদায় দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও এখনো কোনো স্বীকৃতি মেলেনি। ফলে স্থানীয় ভাষা সৈনিকরা দীর্ঘদিন ধরে এই শহিদ মিনারের স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে আসছেন।