লেবুর দাম কমেছে, বেগুন আজও শতক ছাড়িয়ে

Lemon prices have decreased
অনলাইন ডেস্ক ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৪ অপরাহ্ন অর্থনীতি
অনলাইন ডেস্ক ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৪ অপরাহ্ন
লেবুর দাম কমেছে, বেগুন আজও শতক ছাড়িয়ে
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র মাহে রমজান শুরুর অন্তত ৪-৫ দিন আগে থেকে প্রতি হালি শতক ছাড়িয়ে যাওয়া লেবুর দাম কমতে শুরু করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সালাদ ও সরবতে ব্যবহৃত এই পণ্যটির দাম আজ ৬০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে, রমজানে অধিক চাহিদা সম্পন্ন বেগুনের দাম আজও শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে তিনটি ভিন্ন আকার ও ধরনের লেবু বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে ছোট আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মাঝারি ৮০ টাকায় এবং বড় সাইজের ৪টি লেবু ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। গতকাল এই তিন ধরনের লেবু ১০০ থেকে ১২০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ দিনের ব্যবধানে এক হালি লেবুর দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

বাজারে বেগুনের দামও কিছুটা কমেছে। তবে এখনো পণ্যটির দাম শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে। মোটা কালো লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। আর লম্বা কালো চিকন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। বেগুনি তৈরি করতে মোটা বেগুনের চেয়ে চিকন বেগুনের চাহিদা বেশি হওয়া এর দামও তুলনামূলক কিছুটা বেশি রয়েছে। অবশ্য রোজ শুরুর আগে চিকন বেগুনের চেয়ে মোটা বেগুনের দাম বেশি ছিল।

এদিকে কাঁচামরিচের দাম দিনের ব্যবধানে ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত কমে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে।  

বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির দামও দিনের ব্যবধানে শুক্রবারের চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে আলু, প্রতিকেজি মাত্র ২০ টাকা। ভ্যান গাড়িতে আলু ৬ কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কোথাও কোথাও।

প্রতিকেজি করলা ১২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, লতি ৮০ টাকা এবং ধুন্দুল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ টাকা, শিম ৭০-৮০ টাকা এবং শালগম ৪০-৫০ টাকায় মিলছে।

বাজারে মানভেদে ফুলকপি প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা এবং ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, লালশাকের আঁটি ১০ টাকা, পুঁইশাক ২০-৩০ টাকা এবং ডাঁটাশাক, কলমি শাক ও পালংশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে।  

ব্যবসায়ীরা জানান, কাঁচাবাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি নেই এবং প্রতিটি পণ্যের দামও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে, রমজানের প্রভাবে ইফতারের আইটেমে ব্যবহৃত বারো মাসিক সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলেই তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে দাম কমে আসবে বলে আশা করছেন তারা।