বিয়ের দাবিতে ঘরে আটকে রাখার পর তরুণের চরম আত্মক্ষতি, রামেকে চিকিৎসাধীন
রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম নতুনপাড়ায় বিয়ে নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক তরুণ নিজের শরীরে চরম আত্মক্ষতি করেছেন। তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত তরুণের নাম মোঃ হৃদয় হোসেন (২২)। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা মোঃ লিটন হোসেন ও মোছাঃ রোজিনা খাতুনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, হৃদয় হোসেন বৃহস্পতিবার পরিবারের কাছে জানান, তিনি দ্রুত বিয়ে করতে চান এবং এ বিষয়ে তার দাদুর সঙ্গে কথা বলেন। দাদু তাকে বাবা-মায়ের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করতে বলেন। পরে তিনি তার মা রোজিনা খাতুনের কাছে একই দাবি জানান।
এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তার মা তাকে ঘরের ভেতর আটকে রেখে দরজায় তালা লাগিয়ে দেন বলে জানা গেছে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে রোজিনা খাতুন রান্নার প্রস্তুতির জন্য ঘরের দরজা খুলে ফ্রিজ থেকে মাংস বের করতে যান। এ সময় তিনি দেখতে পান, হৃদয় হোসেন ঘরের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তিনি নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় হৃদয়কে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আহত তরুণের অবস্থা গুরুতর হলেও চিকিৎসা চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খোঁজখবর নিচ্ছে বলে জানা গেছে।