রাজশাহীতে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচার ঠেকাতে বিজিবির নজরদারি জোরদার

Prevention of fuel oil hoarding and smuggling
ছোটন সরদার ২৯ মার্চ ২০২৬ ১২:৫৬ অপরাহ্ন নির্বাচিত সংবাদ
ছোটন সরদার ২৯ মার্চ ২০২৬ ১২:৫৬ অপরাহ্ন
রাজশাহীতে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচার ঠেকাতে বিজিবির নজরদারি জোরদার
রাজশাহীতে ২৯ মার্চ—অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচার প্রতিরোধে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) নজরদারি ও অভিযান জোরদার করেছে।

রাজশাহীতে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচার ঠেকাতে বিজিবির নজরদারি জোরদার,রাজশাহীতে ২৯ মার্চ—অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচার প্রতিরোধে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) নজরদারি ও অভিযান জোরদার করেছে। এ বিষয়ে আজ রোববার সকালে রাজশাহী রেলস্টেশনসংলগ্ন পদ্মা ও যমুনা অয়েল ডিপোর সামনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংস্থাটি।

সকাল ১১টা থেকে ১১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার, পিএসসি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. সোহাগ মিলন ও সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

লিখিত বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় দেশে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিপণন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি হয়ে উঠেছে। এই সুযোগে কেউ যাতে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত বা সীমান্ত দিয়ে পাচার করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিজিবি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার সুযোগে সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা থাকায় সীমান্ত এলাকায় টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবির গৃহীত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে—জ্বালানি ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, সীমান্ত ও নৌপথে অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ মজুত সম্পূর্ণ বন্ধ করা।

এ ছাড়া, রাজশাহী জেলার জ্বালানি তেল বিপণন শৃঙ্খলা রক্ষা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পদ্মা অয়েল পিএলসি ও যমুনা অয়েল কোম্পানির রাজশাহী ডিপোতে গত ২৫ মার্চ থেকে বিজিবির দুটি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের নজরদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।