দ্রুততম সেঞ্চুরির দিনে মুশফিকের নতুন রেকর্ড
জাতীয় দল ছাড়লেও নিজের অবস্থানে বদল আনেননি মুশফিকুর রহিম। উল্টো সময়কে যেন টেনে ধরেছেন ৩৯ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ডিপিএলে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে যা করলেন, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এত দিনের ক্যারিয়ারে আগে করতে পারেননি। বরং বয়স বাড়তেই যেন আরও আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেছেন এই ক্রিকেটার।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে আজ ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম। দ্রুততম শতক করার দিনে ফিফটি করতে খেলেছেন ৩৪ বল। পরের ২০ বলে ৫০ রান করে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। এতেও ডিপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙতে পারেননি মুশফিক।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডের মালিক জিম্বাবুয়ের ব্রেন্ডন টেইলর। ২০১৩ সালে প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ৪৬ বলে শতক হাঁকান এই রোডেশিয়ান ব্যাটার। ডিপিএলে চলতি আসরে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দেশি ব্যাটারদের রেকর্ডটা দখল করেন মোসাদ্দেক। ফলে ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করেও রেকর্ডের ভাগিদার হতে পারলেন না মুশফিক।
দ্রুততম শতকে নাম লেখাতে না পারলে নতুন মাইলফলকে নিজেকে তুলেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১২ হাজার রান করেছেন তিনি। ডিপিএলে আজকের ম্যাচে নামার আগে মুশফিকের প্রয়োজন ছিল ৬৯ রান। শতক হাঁকিয়ে অনায়াসেই সেই সীমা অতিক্রম করেন তিনি।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের গণ্ডি পেরিয়েছেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার। মুশফিক ছাড়াও এই তালিকায় আছেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অসুস্থতা আর ফিটনেস ইস্যুতে ক্রিকেটকে বিদায় বলা তামিমের ক্যারিয়ার থেমেছে ১১ হাজার ৭৩৬ রানে। অন্যদিকে খেলা চালিয়ে যাওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের রান ১০ হাজার ১৮৪।
সাদা বলের এই ফরম্যাটে রান করার তালিকায় শীর্ষে আছেন ইংল্যান্ডের গ্রাহাম গুচ। ৬০১ ইনিংসে ২২ হাজার ২১১ রান করেছেন এই ক্রিকেটার। তালিকার সেরা পাঁচে আছেন টেন্ডুলকার, সাঙ্গাকারার মতো তারকারাও। সর্বোচ্চ রান করার তালিকায় ৫৫ নম্বরে আছেন বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম।