লোকসান কমাতে পশ্চিমাঞ্চল রেলের ১১ ট্রেন ইজারার উদ্যোগ

Western Railway's initiative to lease 11 trains
নিজস্ব প্রতিবেদক ২৩ জুন ২০২৬ ০৩:৫৩ অপরাহ্ন সারা বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক ২৩ জুন ২০২৬ ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
লোকসান কমাতে পশ্চিমাঞ্চল রেলের ১১ ট্রেন ইজারার উদ্যোগ
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল আরও ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল আরও ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে ইজারার অনুমোদন চেয়ে রেল সদর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, লোকসান কমাতে ও রাজস্ব বাড়াতে এ উদ্যোগ।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি আন্তর্জাতিক, ৬২টি আন্তনগর, ৫৫টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন এবং ১২টি লোকাল ট্রেন চলাচল করছে।এর মধ্যে বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ২৪টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন ইজারা দিয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে রেল কর্তৃপক্ষের দাবি লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে আয়ের চেয়ে ব্যয়ই বেশি। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য ট্রেন ইজারা দেওয়া হচ্ছে। তা থেকেও আয়ও আসছে।

বর্তমানে ইজারা দেওয়া ট্রেন থেকে খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় করছে। এ কারণে আরও ১১টি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমাঞ্চল রেল রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৭৬ লাখ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করেছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় করেছে ৬৪৯ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ হাজার ১৬০ কোটি টাকার বিপরীতে আয় করেছে ৬২১ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ১০ মাসে (ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৮২৫ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ৫৬৬ কোটি টাকা।   পশ্চিমাঞ্চল রেলের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আনসার আলী বলেন, ‘আমাদের জনবলের সমস্যা আছে। আবার অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ দিলে ব্যয় বাড়বে।

এ ছাড়া লোকাল ট্রেনের অনেক যাত্রী টিকিট কিনতে চান না। কেনেন না। তাই এখান থেকে আয় কম হয়। এ কারণে আমরা ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। ’

পশ্চিমাঞ্চল রেলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের জনবলের ঘাটতি আছে। তাই সব মেইল ও লোকাল ট্রেনে সঠিকভাবে টিকিট পরীক্ষা সম্ভব হয় না। এতে অনেক রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। ’ তিনি বলেন, ‘সব ট্রেনের আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্মিলিতভাবে তৈরি করা হয়। প্রতিটি মেইল বা লোকাল ট্রেনের বছরে কত লোকসান হয়, তা দেখানোর জন্য কোনো আলাদা হিসাব নেই।