নগরীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক
জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগরীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টায় নগর ভবনে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় রাজশাহী মহানগরীতে ৬-১১ মাস বয়সী ৯ হাজার ১১৩জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৫৭ হাজার ২৮২ জন শিশুসহ সর্বমোট ৬৬ হাজার ৩৯৫জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। শিশুর সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে ভিটামিন এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন শিশু যেন ভিটামিন খাওয়ানো থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সকলকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহী নগরবাসীর প্রতি বিশেষ আহ্বান আপনার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে বিনামূল্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান।
রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাসিকের সচিব সোহেল রানা। এ সময় পরিবার পরিকল্পনা রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ড. কস্তুরী আমিনা কুইন, রাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, সহ রাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগসহ অন্যান্য শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, রাসিকের ব্যবস্থাপনায় ৩০টি ওয়ার্ডে ৩৮৪টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়াও ক্যাম্পেইন চলাকালীন ওয়ার্ড কার্যালয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত ক্যাপসূল খাওয়ানো হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নে ৩৮৪টি কেন্দ্রে ২ জন করে সর্বমোট ৭৬৮জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত রয়েছে।