আন্দোলন প্রত্যাহার করলো ককরোচ পার্টি

Cockroach Party withdraws protest
অনলাইন ডেস্ক ২৫ জুলাই ২০২৬ ০৬:৪৯ অপরাহ্ন শীর্ষ খবর
অনলাইন ডেস্ক ২৫ জুলাই ২০২৬ ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
আন্দোলন প্রত্যাহার করলো ককরোচ পার্টি
--সংগৃহীত ছবি

দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে অবস্থান-বিক্ষোভ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। 

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হলো।

শনিবার (২৫ জুলাই) তৃতীয় দফা দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বৈঠক করার পর সিজেপি জানিয়েছে, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন- এতদিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।

সরকারের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনার পর সিজেপির প্রতিনিধিরা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত জানান। যৌথ সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব এফআইআর (মামলা) প্রত্যাহার করা হবে বলে সরকার আমাদের নিশ্চিত করেছে। তিনি আরো বলেন, সদিচ্ছার সঙ্গেই অবস্থান প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আমরা আশা করি সরকারের দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই সব শর্ত বাস্তবায়ন করবে।

সরকারের সঙ্গে তিন দফার আলোচনা শেষে সিজেপির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আমরা সরকারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তিন দফায় আলোচনা করেছি। যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলা আমাদের আন্দোলনের তিনটি প্রধান দাবি ছিল: প্রথমত ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ; দ্বিতীয়ত আন্দোলনকারী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে রুজু করা সব আইনি মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহার করা এবং ভবিষ্যতে কোনও মামলা না দেওয়া; আর তৃতীয়ত নিট পরীক্ষা না হওয়ার কারণে যাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছি, সেইসব পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া। কিছুক্ষণ আগে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন, যার মানে আমাদের প্রথম দাবিটি পূরণ হয়েছে।

সিজেপি প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারের সঙ্গে আরও এক দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।