বয়সের ভারে নুয়ে পড়া রেলের ইঞ্জিন চলছে জোড়াতালি দিয়ে এক-তৃতীয়াংশ অচল

One-third of the people are immobilized by a pair of clapping hands
আবুল কালাম আজাদ:- ০৯ আগস্ট ২০২৬ ০৫:২৯ অপরাহ্ন সারা বাংলা
আবুল কালাম আজাদ:- ০৯ আগস্ট ২০২৬ ০৫:২৯ অপরাহ্ন
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া রেলের ইঞ্জিন চলছে জোড়াতালি দিয়ে এক-তৃতীয়াংশ অচল
বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে ট্রেনের মূল চালিকাশক্তি—লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিন।

বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে ট্রেনের মূল চালিকাশক্তি—লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিন। বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ইঞ্জিনই অচল। সচল যেগুলো, সেগুলোর অনেকগুলোই চলছে জোড়াতালি দিয়ে। এতে ব্যাহত হচ্ছে ট্রেনের সময়সূচি। যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে বাড়ছে দুর্ভোগ। আর বারবার বিব্রত হতে হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষকে।


রেলওয়ের তথ্য বলছে, পূর্ব ও পশ্চিম—দুই অঞ্চলে সব মিলিয়ে প্রায় ২৭০টি লোকোমোটিভ রয়েছে। এর মধ্যে মিটারগেজ ইঞ্জিন প্রায় ১৫০টি এবং ব্রডগেজ প্রায় ১২০টি। এসব ইঞ্জিনের মধ্যে ৮০টির বেশি বর্তমানে অকেজো। ফলে পুরোনো ও মেরামত করে সচল রাখা ইঞ্জিন দিয়েই চলছে রেলওয়ের যাত্রী ও পণ্য পরিবহন।


২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে রেল খাতে ললক্ষাধিক  কোটিন টাকার বেশি ব্যয় হলেও নতুন লোকোমোটিভ সংগ্রহে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। একের পর এক নতুন রেললাইন নির্মাণ হলেও প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন না থাকায় সেসব রুটে কাঙ্ক্ষিত গতিতে ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।