বোনকে মারধরের ক্ষোভে হাসপাতালে হাসুয়া হাতে দুলাভাইকে কোপাতে গেলেন শ্যালক

Brother-in-law goes to hospital to beat up brother-in-law after sister was beaten up
অনলাইন ডেস্ক ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৪৬ অপরাহ্ন সারা বাংলা
অনলাইন ডেস্ক ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৪৬ অপরাহ্ন
বোনকে মারধরের ক্ষোভে হাসপাতালে হাসুয়া হাতে দুলাভাইকে কোপাতে গেলেন শ্যালক
--সংগৃহীত ছবি

পারিবারিক কলহের জেরে জয়পুরহাট ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুলাভাইকে কোপাতে গিয়ে দুই ধারালো হাসুয়াসহ এক তরুণ আটক হয়েছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

আটক তরুণের নাম শাকিল আহাম্মেদ (২৮)। তিনি কালাই উপজেলার ছত্রগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। তার দুলাভাই মিনহাজুল ইসলাম ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কালাইয়ের ছত্রগ্রামের মিনহাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের মধ্যে পারিবারিক কলহ থেকে মারামারির ঘটনা ঘটে। এর জেরে শনিবার মিনহাজুল বিষপান করলে তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। বোনকে শারীরিক নির্যাতনের খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ছোট ভাই শাকিল আহাম্মেদ দুই হাতে দুটি হাসুয়া নিয়ে সরাসরি হাসপাতালে ঢুকে পড়েন।

অভিযোগে ‎শাকিল জানান, তার বোনকে প্রায়ই মারধর করতেন মিনহাজুল। শনিবারও বোনকে মারধর করে মিনহাজুল বিষপান করে হাসপাতালে ভর্তি হন। এ খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে দুলাভাইকে কোপানোর জন্য দুটি হাসুয়া নিয়ে হাসপাতালে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধারালো দুটি বড় হাসুয়া হাতে এক তরুণকে ওয়ার্ডে ঢুকতে দেখে উপস্থিত সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শাকিল হন্তদন্ত হয়ে দুলাভাই মিনহাজুলের বেডের দিকে ধেয়ে যান। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই ওয়ার্ডে থাকা অন্যান্য রোগীর স্বজনেরা তাকে ধরে অস্ত্র দুটি কেড়ে নেন এবং পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

‎জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, দুটি হাসুয়াসহ এক তরুণকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ওই তরুণ বিষপান করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা তার দুলাভাইকে কোপাতে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে।