রাজশাহীর গ্রিন ও ক্লিন সিটির গৌরব ধরে রাখার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

Mizanur Rahman Minu
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:২২ অপরাহ্ন নির্বাচিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:২২ অপরাহ্ন
রাজশাহীর গ্রিন ও ক্লিন সিটির গৌরব ধরে রাখার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শহরকে আরও সবুজ করতে হবে। রাজশাহী শহরকে সবুজায়িত করতে দীর্ঘ প্রায় দুই-তিন যুগ ধরে ধারাবাহিক চেষ্টা চালানো হয়েছে এবং অর্জিত এই সাফল্যের মূল কৃতিত্ব সমগ্র রাজশাহী জেলা ও মহানগরের সর্বস্তরের জনগণের। এই গৌরব ধরে রাখতে হবে।  

 শনিবার  বেলা ১১টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন রেডার সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আরএমপি, আরডিএ এবং রাজশাহী সাংবাদিকবৃন্দ।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, তাঁর মেয়র পদে দায়িত্ব পালনকালে  সারা বাংলাদেশে ১৪ বার প্রথম স্থান অর্জন করে এই মহানগরী। যার ফলশ্রুতিতে রাজশাহী বর্তমানে সারা দেশে ও বিশ্ব দরবারে ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি ও হেলদি সিটি’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অত্যন্ত সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, বৃক্ষ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে অক্সিজেন ত্যাগ করার মাধ্যমে পৃথিবীতে প্রাণ টিকিয়ে রাখে। পৃথিবীতে বৃক্ষ না থাকলে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব থাকতো না। তাই পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিত বৃক্ষরোপণ করাকে প্রত্যেকের পবিত্র দায়িত্ব বলে বর্ণনা করেন তিনি।

এসময় তিনি নগরীর সার্বিক সবুজায়নে আবাসন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রেডার সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাভলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট  মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান  আবুল কালাম আজাদ সুইট,  জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা  এডভোকেট  এরশাদ আলী ঈশা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।