সালমান মুক্তাদির ঘটনার সময় ছিলেন না , কতটা ক্ষতি হয়েছে জানালেন
ঘটনার সময় ঢাকায় ছিলেন না কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির। খবর পেয়ে তিনি বিমানে ঢাকা আসেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সব খোঁজ-খবর নিয়ে লাইভে এসে নিজের স্টুডিওর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন তিনি। দাবি করেন, হামলায় তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও সৃজনশীল কাজের জায়গাটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
গত শনিবার রাতের ঘটনা। ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। অভিযোগ, দলীয় পরিচয়ে চাঁদা চাওয়া হয় সালমান মুক্তাদিরের কাছে। অস্বীকৃতি জানালেই ঘটে হামলা-ভাঙচুর। সালমানের ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ‘ব্রাউনফিশ’ নামের স্টুডিওর অবস্থা এখন লণ্ডভণ্ড। এ অবস্থা দেখে রাতে লাইভে এসে এমনটাই জানান সালমান মুক্তাদির।
এরপর রোববার সকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সালমান মুক্তাদির। আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সালমান মুক্তাদির স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশের আইনের প্রতি তার কোনো বিশ্বাস নেই। চাঁদা দাবির গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তার কাছে সরাসরি কেউ চাঁদা চায়নি। পুলিশ ও বাইরের মানুষের কাছ থেকেই তিনি বিষয়টি শুনেছেন। তার কথায়, ‘আমার কাছে চাইলে আমি ডেফিনেটলি দিতাম, অফকোর্স আমি... যদি আমার পোষাইতো, অবশ্যই দিতাম।’
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্টুডিওর ভেতরের অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ। ভেঙে পড়ে আছে বাদ্যযন্ত্র, ছড়িয়ে আছে ইউটিউবের গোল্ডেন প্লে বাটন। কাঁচের দরজা-জানালা ভেঙে চুরমার করা হয়েছে, আসবাবপত্র ও সোফা উল্টে পড়ে আছে এবং ফ্লোরজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কাগজপত্র, ফোম ও নানা সরঞ্জাম।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে সালমান মুক্তাদির জানান, অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আর্থিক পরিমাণ এখনই স্পষ্ট করে বলেননি তিনি। তার কথায়, যদি শুধুমাত্র ক্লায়েন্টদের ডেলিভারি ধরেন, ওরা তো ওদের জিনিসপত্র এখানে রেখে গেছে। ওদের বিভিন্ন ফুটেজ থেকে শুরু করে অনেকগুলো শুট এখানে করা হয়। একটা শুটে কত খরচ হয় আপনারা জানেন। সেখানে ৩০-৪০ টা ক্লায়েন্টের যখন সবকিছু নিয়ে যায়, কত ক্ষতি হইতে পারে এটা যদি চোখ বন্ধ করেও কিছু একটা ধারণা করা হয়, কিন্তু এখন জানি না। লিগ্যালি এটা আমি শিওর না হয়ে বলতে পারছি না।
সবশেষে সাংবাদিকদের কাছে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কাজের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর। জানান, এই ধ্বংসযজ্ঞ তাকে কোনোভাবেই থামাতে পারবে না।