রমজানের ১০টি নিত্যপণ্যের এলসিতে নগদ মার্জিন কমানোর নির্দেশ

10 Orders to reduce cash margin in LCs for daily necessities
অনলাইন ডেস্ক ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ০৮:০৮ অপরাহ্ন অর্থনীতি
অনলাইন ডেস্ক ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ০৮:০৮ অপরাহ্ন
রমজানের ১০টি  নিত্যপণ্যের এলসিতে নগদ মার্জিন কমানোর নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

আসন্ন রমজান মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে চাল, গম, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ ১০টি পণ্য আমদানিতে এলসি (ঋণপত্র) খোলার নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


রোববার (৮ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।


নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এলসি খোলার নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে। পাশাপাশি আমদানিকারকদের এলসি খোলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকায় থাকা ১০টি পণ্য হলো—চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, সয়াবিন ও পাম অয়েল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর।


সার্কুলারে বলা হয়েছে, আসন্ন রমজানে এসব ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়বে। এ কারণে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করে বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।


এর আগে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কয়েকটি পণ্য আমদানিতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে ১০০% নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে গত বছরের ১১ নভেম্বর এসব পণ্য আমদানিতে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই সুবিধার মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।


এবার রমজানকে সামনে রেখে একই ধরনের সুবিধা নতুন করে দেওয়া হলো।