প্রধান উপদেষ্টা

২৮ জানুয়ারি ডিজিটাল ইনোভেশন এক্সপো উদ্বোধন করবেন

Digital Innovation Expo to be inaugurated on January 28
অনলাইন ডেস্ক ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:০২ অপরাহ্ন তথ্যপ্রযুক্তি
অনলাইন ডেস্ক ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:০২ অপরাহ্ন
২৮ জানুয়ারি ডিজিটাল ইনোভেশন এক্সপো উদ্বোধন করবেন
সংগৃহীত ছবি

আগামী ২৯ জানুয়ারি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই মেলার উদ্বোধন করার সম্মতি দেওয়ায় মেলা আয়োজনের তারিখ এক দিন এগিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) আগামী ২৮ জানুয়ারি শুরু হতে যাওয়া তিন দিনব্যাপী এই মেলা চলবে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মেলার আয়োজকরা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যৌথ উদ্যোগে আগামী ২৮ থেকে ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র (বিসিএফসিসি) শুরু হতে যাচ্ছে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬।

এতে বলা হয়, এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা তার ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যেও আগামী ২৮ জানুয়ারি এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি দিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পূর্বঘোষিত তারিখ পরিবর্তন করে ২৯ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৮ জানুয়ারি থেকে তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী শুরু হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

আয়োজকরা জানান, ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬ বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়ন, ডিজিটাল উদ্ভাবন, দেশীয় প্রযুক্তি উৎপাদন সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এই এক্সপোর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, নেটওয়ার্কিং ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এর আগে, সংবাদ সম্মেলন করে মেলা আয়োজনের ঘোষণা করে মেলা কর্তৃপক্ষ। আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তির সর্বশেষ উদ্ভাবন, সাফল্য ও সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের অবস্থান দেশ ও বহির্বিশ্বে তুলে ধরতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। ‘বাংলাদেশ টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রতিপাদ্যে শুরু হতে যাওয়া এই মেলায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শতাধিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তর অংশ নেবে। তথ্যপ্রযুক্তির নতুন সব পণ্য, সেবা, জীবনশৈলী ও ধারণা উপস্থাপন করবে এসব প্রতিষ্ঠান। তথ্যপ্রযুক্তির সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসূচি ও উদ্যোগগুলোও এতে উপস্থাপন করা হবে। ১৩০টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলে এসব প্রদর্শন করা হবে। ২০১৫ সাল থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ হাইটেকপার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বিসিএস যৌথভাবে প্রযুক্তিপণ্য নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে।