আটকের ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় ছাড়া পেলেন বৈছাআ নেতা মাহদী

The leader of the Baisaa, the Mahdi
অনলাইন ডেস্ক ১৮ আগস্ট ২০২৬ ০৫:৫০ অপরাহ্ন সারা বাংলা
অনলাইন ডেস্ক ১৮ আগস্ট ২০২৬ ০৫:৫০ অপরাহ্ন
আটকের ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় ছাড়া পেলেন বৈছাআ নেতা মাহদী

হবিগঞ্জে আটকের ২১ ঘণ্টা পর থানা থেকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) জেলা সদস্যসচিব মাহদী। একই সঙ্গে আটক অপর দুই নেতা মির্জা সুমন ও মো. রাজু আহমেদকেও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। 


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় থানার ফটকের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, আটক ব্যক্তিদের স্বজন ও সাংবাদিকদের ভিড় দেখা যায়।


এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ঘন ঘন লোডশেডিং ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতির সময় মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়। 


থানা থেকে বের হয়ে মাহদী হাসান বলেন, আমাদের তিনজনকে অন্যায়ভাবে ফ্যাসিবাদী কায়দায় টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। অথচ আমাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা কিংবা ওয়ারেন্ট ছিল না। আমরা মনে করি পুলিশ এখনো স্বৈরাচারের প্রতিচ্ছবি। আমরা গণতান্ত্রিক দাবি নিয়ে সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু পুলিশ তা করতে দেয়নি। তাই আমরা দেশবাসীর কাছে বিচার দাবি করছি।


মাহদি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভ মিছিলের আগের রাতে পুলিশ তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়েছে।


হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি জাহেদুল হক জানান, পূর্বানুমতি ছাড়া সমাবেশের আয়োজন করার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মুচলেকা রেখে অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


তবে মুচলেকায় কী লেখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি ওসি।


গত জানুয়ারিতে ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’-এমন বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মাহদী হাসান।