স্ত্রীকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের কাছে স্বামীর আকুতি
গাইবান্ধা শহরের ভি.এইড রোডের বাংলাবাজার এলাকার হরিজন সম্প্রদায়ের দরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ আলো রানী দীর্ঘদিন ধরে জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত। অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় উন্নত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করাতে না পারায় বর্তমানে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। চিকিৎসকেরা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে না পেরে অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আলো রানীর হৃদযন্ত্রের তিনটি ভাল্বের মধ্যে দুটি প্রায় অকেজো হওয়ার পথে। তাকে সুস্থ করে তুলতে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এ চিকিৎসায় আনুমানিক ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ হতে পারে বলে পরিবারকে জানানো হয়েছে।
আলো রানীর স্বামী রুস্তম বাঁসফোর পেশায় একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, তিনি ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে অল্প আয়ে কোনো রকমে সংসার চালান। তাঁদের চার মেয়ে ও ১১ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। চার মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে ইতোমধ্যে পরিবারটির আর্থিক অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। বর্তমানে স্ত্রীর ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা তার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুস্তম বাঁসফোর বলেন, “আমার বউ এখন খুবই অসুস্থ। ১১ বছরের একটি ছেলে সন্তান আছে। অনেক কষ্ট করে চার মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। ময়লা পরিষ্কার করে কোনোভাবে ডাল-ভাত খেয়ে সংসার চালাই। ডাক্তার যখন এত টাকা লাগবে বলেছেন, তখন মাথা ঘুরে গেছে। এত টাকা আমি কোথায় পাব? আপনারা যদি একটু দয়া না করেন, তাহলে আমার চোখের সামনেই আমার স্ত্রী মারা যাবে।”
স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, অর্থের অভাবে একজন অসুস্থ মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাবেন—এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাই আলো রানীর জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সহৃদয় মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন।
একটি পরিবারের একমাত্র নারীর জীবন বাঁচাতে আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে বড় আশার আলো। আপনার সহযোগিতায় আলো রানীর চিকিৎসা সম্ভব হলে ১১ বছরের শিশুটির বেঁচে থাকবে মা- একটি পরিবার ফিরে পেতে পারে সম্পূর্ণ ভরসা।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম
বিকাশ/নগদ: ০১৭০৭২৮৭৫৯৫
আলো রানীর স্বামী রুস্তম বাঁসফোর