স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও মহাপরিচালককে রামেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৩ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি

Memorandum containing 3-point demands
বিশেষ প্রতিনিধি, রাজশাহী:- ১০ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:০৬ অপরাহ্ন স্বাস্থ্য
বিশেষ প্রতিনিধি, রাজশাহী:- ১০ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:০৬ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও মহাপরিচালককে রামেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৩ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে তিন দফা দাবি সংবলিত এক স্মারকলিপি পেশ করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

হাসপাতালে কাজের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়ন এবং সাধারণ রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে তিন দফা দাবি সংবলিত এক স্মারকলিপি পেশ করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

​শনিবার (১০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের রাজশাহী সফরকালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দল আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের হাতে এই স্মারকলিপি তুলে দেন।

​স্মারকলিপিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ৩টি প্রধান দাবি হলো—

​১. পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ: মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ২৪ ঘণ্টা সচল ফার্মেসি স্থাপন নিশ্চিত করা এবং সরকারি এই হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সব ধরনের জরুরি ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ সুনিশ্চিত করা।

২. চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: প্রস্তাবিত ‘চিকিৎসক সুরক্ষা আইন’ দ্রুত বাস্তবায়ন, চিকিৎসকদের ওপর হামলা-ভাঙচুর প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা, জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার এবং হাসপাতালজুড়ে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।

৩. যৌক্তিক ভাতা বৃদ্ধি: নবম গ্রেডের মূল বেতনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বর্তমান মাসিক ভাতা পুনর্নির্ধারণ ও যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি করা।  


​স্মারকলিপি প্রদান শেষে ইন্টার্ন প্রতিনিধিরা জানান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক উত্থাপিত দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।


​প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়িত হবে। এতে চিকিৎসকদের কাজের সুপরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের প্রধান এই চিকিৎসাকেন্দ্রে রোগীদের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া সহজতর হবে।