তানোরে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ও বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত

International Day of Rural Women and World Food Day
ছোটন সরদার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫২ পূর্বাহ্ন সারা বাংলা
ছোটন সরদার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
তানোরে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ও বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ও বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ও বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার ২৬ অক্টোবর উপজেলার জগদীশপুর শান্তিনগর আদিবাসীপাড়ায় ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এই দিবটি পালনের উদ্দ্যোগ নেয় একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মাসাউস। 


মাসাউসের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা হাঁসদার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তানোর অঞ্চলের বিশিষ্ট  সমাজসেবক আব্দুল মালেক মণ্ডল। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুন্ডুমালার সমাজসেবক মো. ওবায়দুর মোল্লা, বুলবুল আহমেদ এবং দৈনিক দেশের কণ্ঠের সাংবাদিক সানিউল্লাহ স্বপন।


 গ্রামীণ নারীরা পরিবার ও সমাজের উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন এবং পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।একজন গ্রামীণ কৃষাণী সেতারা বেগম মৌসুমি ফসলের বীজ বিশেষ করে সবজির বিজ,লাউ,করলা,ঝিঙ্গা তরইসহ সকল বীজ সংরক্ষণ করেন একই সাথে শান্তিনগরের সকল পরিবারের নারীরা তার নিকট বীজ সংরক্ষণ করেন এবং যার যখন প্রয়োজন তারা বীজ ও চারা রোপন করেন,একই গ্রামের মার্জিনা টুডু তার আবাদি সবজি চাষে কীটনাশক ব্যাবহার না করে নিজের তৈরি নিমপাতার বিষ,ও মেহগনি ফলের তৈরি বিষ ব্যাবহার করেন,এবং সার প্রয়োগ পরিহার করে তিনি গরুর গৌবর দিয়ে ভার্মি  কম্পোস্ট তৈরি করে তার সবজিতে ব্যাবহার করছেন, এতে তিনি র্নিভেজাল বিষমুক্ত সবজি পাচ্ছেন এবং পরিবারে আর্থিক যোহান দিতে পারছেন,তেমনি বাশ বেতের হস্তশিল্পে সাড়া ফেলেছেন মার্গারেট হাঁসদা। স্টল পরিদর্শন করে অতিথিরা বলেন  ও খাদ্য  কৃষির উৎপাদনে গ্রামীণ নারীদের অবদান অপরিসীম। কিন্তু নানা ক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্য, দারিদ্র্য ও বৈষম্যের শিকার হন। তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জীবনমান উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।, গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে কর্মসংস্থান, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে তাঁদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে।


বিশ্ব খাদ্য দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা বলেন, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা। সবার জন্য খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যের অপচয় রোধ এবং পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে গ্রামীণ ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নারী ও শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।