বাপা রাজশাহী জেলা শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, পুঠিয়া উপজেলা শাখা কমিটি অনুমোদন

Puthia Upazila Branch Committee Approval
স্টাফ রিপোর্টার: ২৮ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩১ অপরাহ্ন সারা বাংলা
স্টাফ রিপোর্টার: ২৮ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩১ অপরাহ্ন
বাপা রাজশাহী জেলা শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, পুঠিয়া উপজেলা শাখা কমিটি অনুমোদন
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), রাজশাহী জেলা শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), রাজশাহী জেলা শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাজশাহী আধুনিক পাঠাগার সভাকক্ষে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মান, পদ্মার পানি চুক্তি, উত্তর সেচ প্রকল্প, বরেন্দ্র অঞ্চলের পানির সমস্যাসহ সংগঠনিক বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়াও সভায় নগরী ও বিভিন্ন হাট-বাজারের বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও ভরল বর্জ্য শোধন করে নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতার নিরসন, অবৈধ দখল হওয়া নদী ও খাল উদ্ধার করা, ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার ও জলাশয়ে পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, নদী-নালা-খাল খননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

এর আগে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পুঠিয়া উপজেলা শাখা কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। সভায় পরিবেশকর্মী মো. এনামুল হক-কে সভাপতি এবং সমাজকর্মী মো. রিপন রেজা-কে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্য হলেন, সহ-সভাপতি আবুল বাশার, সহ-সভাপতি সানোয়ার হোসেন সুইট, সদস্য আব্দুল খালেক, হাফিজুর রহমান, মহির উদ্দিন, শ্রী মিলন কুমার, রোজুফা বেগম, ফজিলা খাতুন শিউলি, সাকিলা বেগম প্রমুখ।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাহমুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে সভায় অতিথি ছিলেন বাপা রাজশাহী জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জামাত খান।

সভায় সম্পাদক মোসা. সেলিনা বেগম এর পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ জাহিদ হাসান, সদস্য শাহনাজ পারভীন, পবা উপজেলা শাখা সভাপতি রহিমা বেগম ও সম্পাদক ইউসুফ আলী চৌধুরী, দূর্গাপুর উপজেলা শাখা সভাপতি একেএম মোহাইমিনুল হক পিন্টু, মোহনপুর উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুস সালামসহ জেলা ও উপজেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের পরিবেশকর্মীবৃন্দ।

সভায় বক্তারা জানান, রাজশাহী নগরের অনিয়ন্ত্রিত ও অপরিকল্পিত কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফলে নগরসংলগ্ন নদী, বিল ও জলাধারসমূহ মারাত্মক দূষণ, দখল ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। দূষিত পানি জমে আরোও বিষাক্ত হচ্ছে। জলজ উদ্ভিদ ও মাছের উৎপাদন কমছে এবং সেই দূষিত পানি কৃষিজমিতে প্রবেশ করছে ফলে মাটির গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে এবং ফসলে ক্ষতিকর উপাদান জমার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দূষণের ফলে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ মৎস্যজীবী ও কৃষকরা ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়াও নদী পাড়ের স্থানীয় জনগণের মধ্যে চর্মরোগ, পানিবাহিত রোগ ও দুর্গন্ধজনিত শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপতরগুলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানান তাঁরা।