রাজশাহীতে স্ব-ঘোষিত অটোরিকশার দ্বীগুন ভাড়া বৃদ্ধি, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
রাজশাহী মহানগরীতে কোনো প্রকার সরকারি বা সিটিকর্পোরেশনের অনুমোদন ছাড়াই ১৫ জুন থেকে চালকেরা অটোরিকশার ভাড়া বৃদ্ধি করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
অভিযোগ উঠেছে, পূর্বে যেখানে সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা ছিল, সেখানে এখন তা এক লাফে ১০ টাকা বাড়ীয়েছে। এছাড়া শহরের ভেতরের নিদৃস্টা ভাড়ার দ্বীগুন ভাড়া নেয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।এদিকেবভাড়া বৃদ্ধিকে কেন্দ্রকরে চালকদের। সাথে যাত্রীদের তর্কাতর্কি এমনকি হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে
কয়েকজন চালক জানায়,একলাফে দ্বূীগুন ভাড়া নেয়া ঠিক হচ্ছেনা।কোন চালক আগের সর্বনিম্ব ৫ টাকা ভাড়া নিলে সমিতির নেতারা ও কিছু চালক তাদের বকাবকি এমন কি তাদের মারার হুমকী দিচ্ছে।দের
নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হঠাৎ করেই ভাড়া দ্বিগুণ করায় বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, শিক্ষার্থী ও দৈনিক যাত্রীগণ। কেউ কেউ জানিয়েছেন, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে এবং ভাড়া নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট নীতিমালা নেই।
একজন যাত্রী জানান, “গতকাল রেলগেট থেকে কোর্ট স্টেশন পর্যন্ত ভাড়া ১০ টাকা হলেও আজ একই পথে ২০ টাকা চাওয়া হয়েছে। কোনো নির্ধারিত নিয়ম না থাকায় চালকরা ইচ্ছেমতো ভাড়া নিচ্ছেন।”
আরেকজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের আয় তো বাড়েনি, কিন্তু পরিবহন ভাড়া বাড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ছি আমরা সাধারণ মানুষ।”
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, কিছু অটোরিকশা চালক সিন্ডিকেট গড়ে তুলে নিজেদের মতকরে ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, অটোতে ওঠার আগেই ভাড়া নির্ধারণ না করলে বাড়তি অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত ভাড়া বৃদ্ধি নগরীর পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। একই সঙ্গে সড়কে দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগও বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।
এ পরিস্থিতিতে অনেকেই রাজশাহীতে সিটি বাস সার্ভিস চালুর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত গণপরিবহন চালু হলে অটোরিকশার ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ভাড়া নিয়ে এই অনিয়মও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নগরবাসী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভাড়া নির্ধারণে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমে।