নাটোরে বাস কাউন্টারের আধিপত্য নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫

Two BNP groups clash over dominance of bus counters
আবুল কালাম আজাদ ১৯ আগস্ট ২০২৬ ০৬:৫৭ অপরাহ্ন সারা বাংলা
আবুল কালাম আজাদ ১৯ আগস্ট ২০২৬ ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
নাটোরে বাস কাউন্টারের আধিপত্য নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫
নাটোরের বড়াইগ্রামে বিআরটিসি বাস কাউন্টারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নাটোরের বড়াইগ্রামে বিআরটিসি বাস কাউন্টারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দলটির অন্তত পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় একটি চায়ের দোকান ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর বনপাড়া পৌর শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ টহল জোরদার করে।


বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাইপাসের পাবনা কাউন্টারের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


আহতদের মধ্যে বনপাড়া পৌর বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আকতার হোসেনকে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বনপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন আলী ফকির গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


এ ছাড়া বনপাড়া পৌর কৃষক দলের সভাপতি মমতাজউদ্দিন শেখ ও যুবদল কর্মী আসলাম হোসেনকে বনপাড়া পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বনপাড়া পৌর বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি রবিউল ইসলাম মৃধাসহ আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।


স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বনপাড়া বাইপাসের পাবনা কাউন্টারের সামনে একটি চায়ের দোকানে হোসেন আলী ফকিরসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী বসে চা পান করছিলেন। এ সময় ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে হোসেন আলী ফকির ও মমতাজউদ্দিন শেখ গুরুতর আহত হন।


পরে অদূরে অবস্থান করা আকতার হোসেনের ওপরও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।


এ ঘটনায় একটি চায়ের দোকান ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের পর বনপাড়া পৌর শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।


বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পৌর শহরে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”