শুদ্ধ জন্ম ও মৃ/ত্যু নিবন্ধনে,সাফল্য ও গৌরব ভিত্তিক দেশ সেরা স্বীকৃতি পেল রাসিক
জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে নিখুঁত তথ্য ও সময়ানুবর্তিতা বজায় রেখে ‘শুদ্ধ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিতকরণের’ স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ জাতীয় পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)।
‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটনের হাতে এ সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মোঃ মামুনুর রশিদ ভূঁঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মিজ ফারাহ শাম্মী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঢাকা ডেলিগেশনের হেড অফ ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি মিজ জিলিয়ান মেলসপ।
সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। অনুষ্ঠানে রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সময়ানুবর্তিতা, নির্ভুলতা ও সেবার উচ্চমান বজায় রেখে এই গৌরবময় জাতীয় স্বীকৃতি অর্জন করায় রাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। একইসঙ্গে এই কার্যক্রমে ধারাবাহিক সহায়তার জন্য রাজশাহী মহানগরবাসীর প্রতি তিনি গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মৌলিক সেবা। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণকে আমরা সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে আসছি। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিক চেষ্টার ফলেই আজ এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এই স্বীকৃতি আমাদের ভবিষ্যতে নাগরিক সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করতে অনুপ্রাণিত করবে।”