রাসিকের ৮৫ মণ্ডপকে ২০ হাজার টাকা করে ১৭ লক্ষ টাকার অনুদান,যুক্ত হচ্ছে বিনামূল্যে ওয়াইফাই ও কঠোর নিরাপত্তা

Donations of 17 lakh taka each to 85 pavilions of the RSK, 20 thousand taka each
আবুল কালাম আজাদ ১১ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:২০ অপরাহ্ন নির্বাচিত সংবাদ
আবুল কালাম আজাদ ১১ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:২০ অপরাহ্ন
রাসিকের ৮৫ মণ্ডপকে ২০ হাজার টাকা করে ১৭ লক্ষ টাকার অনুদান,যুক্ত হচ্ছে বিনামূল্যে ওয়াইফাই ও কঠোর নিরাপত্তা
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপে মোট ১৭ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপে মোট ১৭ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। প্রতিটি মণ্ডপ পেয়েছে ২০ হাজার টাকা করে। অনুদানের পাশাপাশি উৎসব নির্বিঘ্ন ও আনন্দমুখর রাখতে মণ্ডপগুলোতে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগ প্রদানসহ বিদ্যুৎ, পর্যাপ্ত আলো ও জরুরি সড়ক সংস্কার নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


​রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় নগর ভবনের সিটি হল সভা কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। সভা শেষে তিনি পূজামণ্ডপ প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের সরকারি চেক তুলে দেন।


​প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “আমাদের সবার প্রধান লক্ষ্য একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় উৎসব উদযাপন করা।

 সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। রাজশাহীকে আমরা গ্রিন ও ক্লিন সিটির পাশাপাশি একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও মাদকমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”


​মতবিনিময় সভার উন্মুক্ত আলোচনায় পূজামণ্ডপ নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগের দাবি উত্থাপিত হলে প্রশাসক তা তাৎক্ষণিকভাবে মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

​রাসিকের সচিব সোহেল রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ফারুক হোসেন। অনুষ্ঠানে রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


​সভা সূত্রে জানা যায়, শারদীয় পূজার সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, আনসার ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন থাকবে। একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে জরুরি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং বিসর্জন ঘাটে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।