ছয় বছর পর রায় খালাস পেলেন অভিযুক্ত প্রদীপ গ্রেগরী

Pradeep Gregory
ছোটন সরদার ১২ জুলাই ২০২৬ ০৬:০০ অপরাহ্ন নির্বাচিত সংবাদ
ছোটন সরদার ১২ জুলাই ২০২৬ ০৬:০০ অপরাহ্ন
ছয় বছর পর রায় খালাস পেলেন অভিযুক্ত প্রদীপ গ্রেগরী
ছয় বছর পর রায় ত্রিশ সেকেন্ডে প্রকাশ খালাস পেলেন অভিযুক্ত প্রদীপ গ্রেগরী

ছয় বছর পর রায় ত্রিশ সেকেন্ডে প্রকাশ খালাস পেলেন অভিযুক্ত প্রদীপ গ্রেগরী, ছয় বছর আগে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তানোরে কিশোরীকে গির্জায় আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত যাজক প্রদীপ গ্রেগরী খালাস । 

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় এক কিশোরীকে গির্জায় আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত যাজক প্রদীপ গ্রেগরীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। প্রায় ছয় বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রবিবার ১২ জুলাই রাজশাহীর  সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল -১, শিশু আদালত -১রাজশাহী  শরনিম আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। 

জানা যায় সাড়ে ১১টায় রায় ঘোষণার কথা থাকলেও তা স্থগিত রেখে বিকেল ৪টার দিকে রায় ঘোষণা করা হয়, আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অভিযুক্ত যাজক প্রদীপ গ্রেগরীকে খালাস দেন,রায়ের পর মামলার বাদীপক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। মামলার বাদী স্বপন হাঁসদা বলেন, “দীর্ঘ ছয় বছর ধরে আমরা ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ ছিলাম। এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা মাহালীপাড়া এলাকার এক কিশোরী বাড়ির পাশের সাধুজন মেরী গির্জার কাছে ঘাস কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন তার বড় ভাই স্বপন হাঁসদা তানোর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন,পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, কিশোরীটি গির্জার তৎকালীন যাজক প্রদীপ গ্রেগরীর কক্ষে রয়েছে,খবর পেয়ে পুলিশ ২৯ সেপ্টেম্বর গির্জা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়, পরে কিশোরীর বক্তব্যের ভিত্তিতে ওই রাতেই তার বড় ভাই স্বপন হাঁসদা বাদী হয়ে তানোর থানায় মামলা করেন,মামলাটি তানোর থানার এফআইআর নম্বর-১১ হিসেবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নথিভুক্ত হয়,এতে যাজক প্রদীপ গ্রেগরীকে একমাত্র আসামি করা হয়,দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য গ্রহণ, জেরা ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ১২ জুলাই রায়ের দিন ধার্য করেন, নির্ধারিত দিনে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দেন।

রায়ের পর বাদীপক্ষ জানায়, তারা আদালতের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করবেন।