চিকিৎসায় নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

Three scientists win Nobel Prize in Medicine
অনলাইন ডেস্ক ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৫৭ অপরাহ্ন নির্বাচিত সংবাদ
অনলাইন ডেস্ক ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
চিকিৎসায় নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

চিকিৎসা বিজ্ঞানে (ফিজিওলজি বা মেডিসিন) ২০২৬ সালে যৌথভাবে কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান ও গেয়র্গ নাগেলকে নোবেল পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি। ‘আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিক্স সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য’ তাদের এ সম্মাননা দেয়া হলো।


চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত নোবেল কমিটির সেক্রেটারি-জেনারেল থমাস পার্লম্যান স্টকহোম থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করেম।


সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম থেকে আজ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টা ও বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে তিনটায় চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।


১৯০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭বার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে এবং এতে মোট ২৩৪ জন বিজয়ী হয়েছেন। নোবেল পুরস্কার কমিটির ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে নোবেলবিজয়ীর নাম সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।


প্রথা অনুযায়ী প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার শুরু হয় নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা। প্রথম দিনে ঘোষণা করা হয় চিকিৎসাশাস্ত্রের নোবেল পুরস্কারজয়ীর নাম। এরপর ছয়টি বিভাগে ছয় দিন নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।


রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ১৯০১ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে। সুইডিশ বিজ্ঞানী ও ডিনামাইটের উদ্ভাবক আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর পাঁচ বছর পর থেকে তাঁর নামে এবং রেখে যাওয়া অর্থে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৬৯ সালে এতে যুক্ত হয় অর্থনীতি।


প্রতিবছর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর দিবস ডিসেম্বরের ১০ তারিখ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। প্রতি ক্ষেত্রে পুরস্কার বিজয়ীরা একটি স্বর্ণপদক, শংসাপত্রসহ একটি ডিপ্লোমা এবং বর্তমানে ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার পান।


নোবেল পুরস্কারের জন্য প্রতিবছর ৩০০ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।


১৯০১ সালে জার্মান জীববিজ্ঞানী এমিল ফন বেরিং ডিপথেরিয়া রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর সিরাম থেরাপি বিষয়ে গবেষণার জন্য প্রথম লোবেল পুরস্কার লাভ করেন।


১৯২৩ সালে জি. ব্যানটিং সবচেয়ে কম বয়স অর্থাৎ ৩১ বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান। ১৯৬৬ সালের পেটন রুস সবচেয়ে বেশি বয়স অর্থাৎ ৮৭ বছর বয়সে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান।